রাশিয়াকে জড়িয়ে চীনকে হুমকি দিল ইউরোপীয় ইউনিয়ন
নির্বাচন নিউজ ২৪
ইউরোপীয় কমিশনের সভাপতি উরসুলা ভন ডের লেইন সতর্ক করে বলেছেন, ইউক্রেন সংঘাতের জন্য বেইজিং রাশিয়ার নিন্দা না করলে ইইউ এবং চীনের মধ্যে সম্পর্ক আরও খারাপ হতে পারে।
মঙ্গলবার (৮ জুলাই) স্ট্রাসবার্গে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের এক অধিবেশনে বক্তৃতা দিতে গিয়ে ভন ডের লেইন চীনকে ‘রাশিয়ার যুদ্ধ অর্থনীতিকে কার্যত সক্ষম’ করার জন্য অভিযুক্ত করেন। তিনি আরও বলেন, ইইউ ‘এটা মেনে নিতে পারে না’।
তিনি বলেন, ‘চীন কীভাবে পুতিনের যুদ্ধের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখবে, তা ইইউ-চীন সম্পর্কের ভবিষ্যতের জন্য একটি নির্ধারক বিষয় হবে।’
ভন ডের লেইন বেইজিংকে ‘ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সীমান্তের রাশিয়ার গুরুতর লঙ্ঘনের দ্ব্যর্থহীন নিন্দা’ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

একই ভাষণে তিনি চীনকে ‘অন্যায্য বাণিজ্য অনুশীলনে’ জড়িত থাকার অভিযোগ করেন, যেমন ‘প্রতিযোগীদের নিশ্চিহ্ন করার’ প্রচেষ্টায় ‘সস্তা, ভর্তুকিযুক্ত পণ্য দিয়ে বিশ্ববাজার প্লাবিত করা’।
ইউক্রেনের সঙ্গে সংঘাতে অস্ত্র সরবরাহ বা রাশিয়াকে অন্যথায় সমর্থন করার কথা বেইজিং ধারাবাহিকভাবে অস্বীকার করে আসছে। চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং এই মাসের শুরুতে বলেছিলেন, ‘চীন ইউক্রেন ইস্যুতে কোনো পক্ষে নয়। ইউক্রেন সংকটের বিষয়ে চীনের অবস্থান বস্তুনিষ্ঠ এবং সামঞ্জস্যপূর্ণ, অর্থাৎ আলোচনা, যুদ্ধবিরতি এবং শান্তি।’
মাও আরও বলেন, ‘দীর্ঘস্থায়ী ইউক্রেন সংকট কারও স্বার্থের জন্যই ভালো না। চীন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই সংকটের রাজনৈতিক সমাধানকে সমর্থন করে।’
চীন রাশিয়ার ওপর ‘একতরফা’ নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করেছে এবং মস্কো ও কিয়েভের মধ্যে যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্থতা করার প্রস্তাবও দিয়েছে।
মে মাসে ভ্লাদিমির পুতিন এবং চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং মস্কোতে দেখা করেছিলেন। দুই নেতা দেশগুলোর ‘কৌশলগত অংশীদারিত্ব’ আরও গভীর করার এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের প্রতিশ্রুতি দেন।

